1. news.ajkerkontho@gmail.com : Ajker Kontho : Ajker Kontho
  2. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
সালথা উপজেলায় কমিউনিস্ট পার্টির কর্মি সভা অনুষ্ঠিত ফারিয়ার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সালথায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মধুখালীর কোরকদি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা বোয়ালমারীতে ইউনিয়ন পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) স্থানীয়করণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা পিতার লাশ বাড়িতে রেখেই অশ্রু জলে বুক ভাসিয়ে পরীক্ষার হলে ছেলে জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ.লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট চেয়ে কাঁদলেন ভাঙ্গা উপজেলা সিপিপির বর্ধিত সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে জনপ্রতিনিধিদের সাথে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আইডি কার্ড না থাকায় সেলাই মেশিন পায়নি প্রতিবন্ধী কলেজ শিক্ষার্থী পাশে দাড়ালো কল্যান ট্রাষ্ট

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক
মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন প্রতিনিধি : ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ভোটার আইডি কার্ড না থাকায় সেলাই মেশিন পায়নি শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজ শিক্ষার্থী নমিতা রানী মন্ডল (২০)। নমিতার পারিবারিক অসচ্ছলতার খবর পেয়ে নমিতার পাশে দাড়িয়েছে হাজী আব্দুর রহীম কল্যান ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতা আমেরিকা প্রবাসি মো. আলমগীর কবীর।
শুক্রবার সন্ধার পূর্বে ঐ ট্রাষ্টের পক্ষ হতে নমিতার বাড়ি গিয়ে তার হাতে উন্নত মানের একটি সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ তুলে দেন আলমগীর কবীরের ছোট ভাই মো. মোস্তফা কবির। নমিতা উপজেলার সদর ইউনিয়নের কামারডাঙ্গী গ্রামের বসিন্দা মৃত নিলকমল মন্ডলের মেয়ে। সে চরভদ্রাসন সরকারী কলেজ হতে এ বছর এইস এসসি পরীক্ষায় সফলতার সাথে উত্তীর্ন হয়েছে। নমিতার আরও চার বোন ও তিন ভাই রয়েছে।
সেলাই মেশিনটি তার আত্মকর্মসংস্থান তৈরীতে কতটা সহায়ক হবে এমন প্রশ্নের জবাবে আবেগ আপ্লুত হয়ে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে নমিতা বলেন ‘আমি জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী,স্বাভাবিক ভাবে হাটতে পারিনা। ছোট ছোট ভাই বোন রেখে প্রায় সাত বছর আগে তার বাবা মারা যায়। মা রাস্তায় মাটি কাটার কাজ করে তার লেখা পড়ার খরচ ও সংশার চালায়। বড় ভাই মিষ্টির দোকানে কাজ করত সে বিয়ে করে আলাদা খায়। তিন বোনের বিয়ে হয়েছে। এক ভাই ঢাকায় সবেমাত্র রঙের কাজ সিখছে। বাড়িতে ছোট এক বোন ও পঞ্চম শ্রেনীতে পড়–য়া ছোট এক ভাই রয়েছে।
অভাবের সংশারে প্রায়ই আধাঁ পেট খেয়ে চলে তাদের জীবন। তার মা এখন আর আগের মতন কাজ করতে পারেনা প্রায়ই অসুস্থ থাকে। নিজের লেখা পড়ার খরচ ও মায়ের চিকিত্সা ব্যায়ে কিছুটা সহায়তা করার জন্য সেলাই মেশিন পাওয়ার আসায় কয়েক মাস আগে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে তিন মাসের (সপ্তাহে ৫দিন) সেলাই প্রশিক্ষন নেন তিনি।প্রশিক্ষন শেষে সেলাই মেশিন পাবে সে প্রতিক্ষায় ছিল সে। মেশিন বিতরনের কয়েকদিন আগে উপজেলা মহিলা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয় ভোটার আইডি কার্ড না থাকায় তাকে সেলাই মেশিন দেওয়া হচ্ছেনা। তখন সে কান্নায় ভেঙে পরে সেলাই মেশিনটি না হলে যে বন্ধ হবে তার লেখা পড়া, হবে না তার মায়ের চিকিৎসা। মেয়েটি সেলাই মেশিনটি না পওয়ার বিষয়টি স্থানীয় এক সংবাদকর্মীকে জানায়।
মেয়েটির অসাহায়ত্বের কথা স্থানীয় ঐ সংবাদ কর্মীর মাধ্যমে হাজী আব্দুর রহীম কল্যান ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতার নজরে আসলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ হতে তাকে একটি সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। সেলাই মেশিনটি পেয়ে সে খুব আনন্দিত এতে তার সংশারের অভাব অনেকটা দুর হবে বলে আশা করছেন এই কলেজ শিক্ষার্থী নমিতা রানী।
প্রতিবন্ধী এই শিক্ষার্থী সেলাই মেশিনটি না পাওয়ার কারন জানতে চাইলে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা জানান ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় হতে হঠাৎ চিঠি এসেছে প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে যাদের ভোটার আইডি কার্ড নাই তারা সেলাই মেশিন পাবেনা। মেয়েটিকে আমার দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও অফিস আদেশ মানতে হয়েছে।
নমিতাকে সহায়তা প্রদানের বিষয়ে হাজী আব্দুর রহীম কল্যান ট্রাষ্টের পরিচালক মোস্তফা কবীর বলেন ‘নমিতাকে সেলাই মেশিনটি দিতে পেরে নিজেদের গর্বীত মনে করছি। প্রয়োজনে সাধ্যমত আমাদের ট্রাষ্টের পক্ষ হতে তাকে আরো সহায়তা করা হবে বলে আস্বাস দেন তিনি।
জানা যায়, হাজী আব্দুর রহীম কল্যান ট্রাষ্টটি তাদের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উপজেলার অনেক অসহায় ও দুস্থ মানুষের কল্যানে কাজ কর যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

error: Content is protected !!