1. alamgirfpur@gmail.com : Alamgir Hossen : Alamgir Hossen
  2. jakirsaltha@gmail.com : Jakir Hosen : Jakir Hosen
  3. rjillur86@gmail.com : Jillur Rahman : Jillur Rahman
  4. ridoyshil2525@gmail.com : Ridoy Shil : Ridoy Shil
  5. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানজট মুক্ত রাখার জন্য করিমপুর হাইওয়ে থানার বিভিন্ন পদক্ষেপ একশত বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২ যুবক কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি হিসেবে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ টিসিবির পণ্য সামগ্রী বিক্রয় কর্মসূচি চলছে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে আর্থিক সহায়তা ও চাল বিতরন তিন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে মুখপোড়া হনুমান যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফরিদপুরে ইউনিয়ন ওয়ার্ড পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট স্থানীয়করণ অনুশীলন অনুষ্ঠিত বিদ্যালয় মাঠে গরু-ছাগলের হাট: ৩২ বছর পর বন্ধ করলেন প্রশাসন

বড়শি দিয়ে মাছ ধরার চিত্র এখন হারিয়ে যাবার পথে।

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

সনত চক্রবর্ত্তীঃ ফরিদপুরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার চিত্র এখন আর তেমন দেখা যায় না।এক সময় বড়শি দিয়ে মাছ ধরার চিত্র ছিল গ্রাম বাংলার প্রতিদিনের রুপ । কিন্তু কালের বিবর্তনে এটি এখন হারিয়ে যাবার পথে।

ফরিদপুর জেলায় দিনে দিনে ভরাট হয়ে যাচ্ছে পুকুর-ডোবা থেকে শুরু করে খাল, নদীসহ সব জলাশয়। মাছের চলাচলের ব্যবস্থা না রেখেই তৈরি করা হয় অপরিকল্পিত বাঁধ, রাস্তাঘাট। একদিকে যেমন মাছের প্রাকৃতিক আবাসের বৈশিষ্ট্যকে ধ্বংস করেছে অন্যদিকে বিলের মত জলাশয়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে মাছ চাষ বর্তমানে প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের বৈচিত্রকে করছে কোণঠাসা। এদিকে মৎস্য বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন, অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন ক্রমেই নিম্নমুখী হচ্ছে এবং দেশি মাছের প্রজাতি দিন দিন কমে যাচ্ছে।তবে, যা অবশিষ্ট আছে তাতে কদাচিৎ দেখা মেলে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার চিত্র। আগে গ্রামে বড় পুকুর বা,নদীতে, বিলে দল বেঁধে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা হত। কিন্তু গ্রাম বাংলায় এখন এমন আয়োজন নেই বললেই চলে।

বুধবার (২২ জুন) বিকেলে জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বারা শিয়া নদীতে এক ঝাঁক শিশু-কিশোরদের মাছ ধরতে দেখা গেছে।
শিশু কিশোরদের সাথে কথা বলে জানা যায়,
বর্ষার নতুন পানির সাথে ছোট মাছ এসেও জমা হয়েছে ছোট্ট নদীতে।

তাই বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বড়শি দিয়ে পুঁটি ও টেংরা জাতীয় মাছ ধরছে তারা।

স্থানীয় এসকল শিশু-কিশোররা আরো বলেন ,প্রতিদিনই তারা সকাল, বিকাল দলবদ্ধ হয়ে মাছ ধরি।

খালের অল্প পানিতে বড়শি দিয়ে ছোট ছোট মাছ ধরে থাকে। পরে দেখা যায় পুঁটি ও টেংরা মাছের ঝাঁক নদী থেকে আসছে। বিকেলের দিকে বড়শি নিয়ে ডোবায় ফেলতেই মাছ ধরা পড়ে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শিশু-কিশোররা দলে দলে বড়শি নিয়ে মাছ ধরতে আসে।

শিশুরা আরো জানায়, বেশির ভাগই পুঁটি মাছ। মাঝে মধ্যে টেংরা মাছও ধরা পড়ছে। অনেকে ২০/২৫ টি করে পুঁটি মাছ ধরেছে বড়শি দিয়ে। আঁধার হিসেবে পাউরুটি, আটা ব্যবহার করছে তারা।

সুমন সরকার নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান,’বিকেলে বাচ্চাদের মাছ ধরা দেখে এগিয়ে গেলাম। ছোট্ট একটা খালে বর্ষার পানি এসেছে। নদী থেকে মাছও এসেছে অনেক। বড়শি দিয়ে মাছ ধরছে বাচ্চারা। আমিও তাদের সাথে মাছ ধরা শুরু করলাম।

বড়শি দিয়ে মাছ শিকারী আহাদ সেখ বলেন , ছোটবেলা থেকেই শখের বশে নিজে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করি।মাছ ধরতে নানা ধরনের উপকরণ ব্যবহার করি তিনি আরো বলেন, গ্রামের অনেক পরিবারের বড়শী দিয়ে ছোট ছোট মাছ ধরে বিক্রি করে সংসার চালান। কেউ মাছ ধরে পেটের তাগিদে আর কেউ মাছ ধরে সৌখিনতার জন্য তবে সবগুলোরই মাধ্যম কিন্তু বড়শী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
error: Content is protected !!