1. alamgirfpur@gmail.com : Alamgir Hossen : Alamgir Hossen
  2. jakirsaltha@gmail.com : Jakir Hosen : Jakir Hosen
  3. rjillur86@gmail.com : Jillur Rahman : Jillur Rahman
  4. ridoyshil2525@gmail.com : Ridoy Shil : Ridoy Shil
  5. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানজট মুক্ত রাখার জন্য করিমপুর হাইওয়ে থানার বিভিন্ন পদক্ষেপ একশত বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২ যুবক কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি হিসেবে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ টিসিবির পণ্য সামগ্রী বিক্রয় কর্মসূচি চলছে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে আর্থিক সহায়তা ও চাল বিতরন তিন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে মুখপোড়া হনুমান যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফরিদপুরে ইউনিয়ন ওয়ার্ড পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট স্থানীয়করণ অনুশীলন অনুষ্ঠিত বিদ্যালয় মাঠে গরু-ছাগলের হাট: ৩২ বছর পর বন্ধ করলেন প্রশাসন

ফসল রক্ষায় কাকতাড়ুয়া আর দেখা যায় না

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

সনত চক্রবর্ত্তী: ফরিদপুর জেলার কৃষি জমিতে বা ফসল রক্ষার এখন আর কাকতাড়ুয়া দেখা যায় না।দিন পরিবর্তনের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে পুরাতন পদ্ধতিগুলো। এখন কৃষক আধুনিক পদ্ধতির রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে ফসল চাষাবাদ করে এবং রোগবালাই দমন করে।এ কাকতাড়ুয়া পদ্ধতিতে পাখিও মারা যায় না, আবার পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পায়।

ফরিদপুর জেলার কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠ ঘুরে দেখা যায়, হটাৎ কিছু ক্ষেতে কাকতাড়ুয়া দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন কোনো জীবন্ত মানুষ দাঁড়িয়ে ফসল পাহাড়া দিচ্ছে। খুব ভালোভাবে খেয়াল না করলে পাখির মতো ভয় পেয়ে যাবে যে কেউ। কৃষির আধুনিক পদ্ধতির যুগে কৃষকরা রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে ফসল চাষাবাদ করে এবং রোগবালাই দমন করে।এতে করে মানব শরীরে অনেক ক্ষতি হচ্ছে।তবে এখনো কিছু কৃষক এখনো সেই আদিকালের সনাতন কাকতাড়ুয়া পদ্ধতি ব্যবহার করেন ফসল রক্ষার জন্য।

বোয়ালমারী উপজেলার ময়না গ্রামের কৃষক মো: হাচান বিশ্বাস এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কাকতাড়ুয়া ব্যবহারে দিন দিন কমে যাচ্ছে, বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষক তার ফসলি জমিতে। অতীতে এত কীটনাশকের ব্যবহার ছিল না। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক বাজারে এসেছে, যা ব্যবহার করলে পশু-পাখি অনেক সময় মারা যায়। এতে একদিকে যেমন পশুপাখির ক্ষতি হচ্ছে অন্য দিকে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ ঝুকির মধ্যে রয়েছে।কিন্তু পাশাপাশি কীটনাশক ব্যবহাররে ফসলও ভালো হয়, তাই কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার কমে যাচ্ছে।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করলে আমরা চিন্তামুক্ত থাকতাম পশু-পাখি থেকে, কেন না এটা ব্যবহার করলে পশু-পাখি আসতো না। তবে এখন বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারে ভুলেই গেছি কাকতাড়ুয়ার কথা, যেটা একটা সময় আমাদের বন্ধু ছিল।

বোয়ালমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম হোড় বলেন, ‘কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করে ফসলের জমিতে ইঁদুর দমনে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়াও নিশাচর প্রাণীরা জমিতে বিচরণ করার সময় ভয় পায় এবং ফসলেরও সুরক্ষা হয়।’ পাখি তাড়ানোর জন্য আদিকাল থেকে গ্রামের কৃষকরা ক্ষেতে কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করে আসছেন। এতে মাঠের ফসল রক্ষা পায়। পাখি হত্যা এক ধরনের অপরাধ।যারা জমিতে কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করছে তারা লাভবান হচ্ছে। আবার পাখিও রক্ষা পাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
error: Content is protected !!