1. news.ajkerkontho@gmail.com : Ajker Kontho : Ajker Kontho
  2. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
স্কুল ছাত্রীর লাশ তালাবদ্ধ বাথরুম ভেঙে উদ্ধার আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে চাঁদাবাজি, আটক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী সালথায় যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফরিদপুর আঞ্চলিক কেন্দ্রের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন জাতির পিতাকে হত্যার পর তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল- লাবু চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদারের শোক বাণী মেয়ের প্রেম লীলায় মা না ফেরার দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় দম্পতির প্রাণ গেল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সালথার দলীয় নেতাদের সাথে মতবিনিময় করলেন লাবু চৌধুরী

স্ত্রীকে জড়িয়ে প্রতিপক্ষ মেম্বারকে ফাঁসিয়ে দিলেন স্বামী, এক ঢিলে দুই পাখি শিকার

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের সালথায় পারিবারিক কোন্দলের জেরে স্বামী নিজ স্ত্রীকে জড়িয়ে প্রতিপক্ষ মেম্বারকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ যেন এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করার মতো ঘটনা। ঐ মেম্বারের হাত ধরে নিজ স্ত্রী উধাও- এমন অভিযোগ তোলেন স্বয়ং তার স্বামী জাহিদুল ইসলাম। ঐ ইউপি মেম্বরের নির্বাচনী ও গ্রাম্য দলীয় প্রতিপক্ষ সাবেক ইউপি মেম্বর আবু বক্করের পরিকল্পনায় রাজনৈতিকভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে ঐ ইউপি মেম্বার এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া গ্রামে। ইউপি মেম্বার ঐ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য ও মাঝারদিয়া গ্রামের মৃত- মহিউদ্দিনের পুত্র মোঃ নুর আলম মিয়া (২৮)।

জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নুর আলম মেম্বরের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য আবু বক্কর (৪০)।

নির্বাচনে হেরে গিয়ে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র ও হামলাও করে থাকেন তিনি। এরই সুত্র ধরে চাচাতো ভাই মোঃ জাহিদুল ইসলাম, পিং- মৃত আব্দুস সামাদ মোল্লা ও তার স্ত্রী লাবনী আক্তারের মধ্যে কোন্দলের সুযোগে বর্তমান ইউপি সদস্য নুর আলমকে ফাঁসিয়ে দেয়া হয়।

এরপর বুধবার (০৮ জুন) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়, “সালথায় ইউপি মেম্বারের হাত ধরে উধাও চাচী”।

এ বিষয়ে ইউপি মেম্বার নুর আলম বলেন, আমি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। সমাজে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি প্রকাশ করা হয়। ঘটনার দিন আমি আমার নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছিলাম। এরপর বিভিন্ন লোকজন ফোন করে বিষয়টি আমাকে জানান। তাৎক্ষণিকভাবে আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আসলে আমার সাথে এরকম কোনো ঘটনাই ঘটে নাই।

তিনি বলেন, আমি যেহেতু ইউপি মেম্বার, সে হিসেবে গ্রামের ঘটনা কমবেশি জানি। আমার জানামতে, ঐ মহিলা ও তার স্বামীর মধ্যে বিভিন্ন কারনে কলোহ চলে আসছিলো। তার স্বামী পরকীয়ায় জড়িত ছিলো, এ কারনেই তাদের মধ্যে কলোহ চলে আসছিলো। পরে জানতে পারলাম তার স্ত্রী ঝগড়া করে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে চলে যায়। নিজের স্ত্রীর নিখোঁজের হওয়ার কথা উল্লেখ করে সালথা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন তার স্বামী। সেখানে আমার কোনো নাম নেই। এই সুযোগে রাজনৈতিকভাবে ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য প্রতিপক্ষ আবু বক্কর গং সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়। এমন ঘটনা আমাকে মর্মাহত করেছে। সমাজে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। এ বিষয়ে আমি আইনের আশ্রয় নেবো।

এ বিষয়ে গৃহবধু লাবনী আক্তার এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানান, জাহিদুলের সাথে পারিবারিকভাবে আমার বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে আমি জানতে পারি আমার স্বামী একাধিক অবৈধ প্রেমে লিপ্ত। এসব বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে বিভিন্ন সময় আমার স্বামীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। বাড়ি থেকে বের করেও দেয়। আমার বাবার বাড়িতে চলে গেলে একাধিকবার শালিস করে পুনরায় আমাকে ফিরিয়ে আনে। তারপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। ঘটনার দিন গত ৭ জুন সন্ধ্যায় আমার স্বামী বাড়িতে ফিরে কোনো কারন ছাড়াই আমাকে গালিগালাজ করে এবং মিথ্যা প্রেমের অপবাদ রটায়। কারো সাথেই আমার প্রেমের সম্পর্ক নেই। এরপর আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে বলে এতো কিছু বলার পরও আমার বাড়িতে থাকিস কেন? আমাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। পরে আমি নিরুপায় হয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু তা না পেরে আমি আমার এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে আসি। এরপরই আমার স্বামী ও তার গোষ্ঠীর লোকজন মিলে প্রতিপক্ষ ইউপি মেম্বার নুর আলমকে জড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে দেয়। মিডিয়া, ফেসবুক ও পত্রিকায় সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার ছবি দিয়ে ছড়িয়ে দেয়। নুর আলম মেম্বরের সাথে আমার কোনো প্রকার সম্পর্ক নাই। আমার নিজের মতো করে বাঁচতে চেয়ে আমার এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে আসি। এ ঘটনায় সামাজিকভাবে আমার মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে সাবেক মেম্বার আবু বক্কর বলেন, নুর আলম আমার কাছের লোক ছিলো, সম্পর্কে আমার ভাতিজা। নির্বাচনে সে আমার প্রতিপক্ষ ছিলো। তবে, সে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়নি। ঘটনাটি আমিও শুনেছি। পরবর্তীতে সাংবাদিকেরা এসে সংবাদটি করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

error: Content is protected !!