1. alamgirfpur@gmail.com : Alamgir Hossen : Alamgir Hossen
  2. jakirsaltha@gmail.com : Jakir Hosen : Jakir Hosen
  3. rjillur86@gmail.com : Jillur Rahman : Jillur Rahman
  4. ridoyshil2525@gmail.com : Ridoy Shil : Ridoy Shil
  5. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানজট মুক্ত রাখার জন্য করিমপুর হাইওয়ে থানার বিভিন্ন পদক্ষেপ একশত বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ২ যুবক কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি হিসেবে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ টিসিবির পণ্য সামগ্রী বিক্রয় কর্মসূচি চলছে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে আর্থিক সহায়তা ও চাল বিতরন তিন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও পত্রিকার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে মুখপোড়া হনুমান যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল দুর্বৃত্তরা ফরিদপুরে ইউনিয়ন ওয়ার্ড পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট স্থানীয়করণ অনুশীলন অনুষ্ঠিত বিদ্যালয় মাঠে গরু-ছাগলের হাট: ৩২ বছর পর বন্ধ করলেন প্রশাসন

সালথায় সড়কের পাশে গাছে গাছে সোভা পাচ্ছে কাঁঠাল: পথচারীরা মুগ্ধ হলেও খাওয়ার চাহিদা কম!

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুন, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

নুরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথায় পাকা সড়ক আর কাচা রাস্তাগুলোর দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে বেসরকারিভাবে লাগানো হয়েছে হাজারও কাঁঠাল গাছ। জনপ্রিয় পুষ্টিগুণে ভরা রসালো জাতীয় ফল কাঁঠালের গাছগুলোতে ইতিমধ্যে কাঁঠালে ভরে গেছে। কিছুদিন পর গাছ পাকা কাঁঠালের গন্ধ সড়ক আর রাস্তাগুলোর বাতাসে ভেসে বেড়াবে।

শনিবার বিকালে সরেজমিনে উপজেলার মধ্যে থাকা বেশ কয়েকটি পাকা সড়ক আর কাচা রাস্তা গিয়ে দেখা গেছে- কিলোর পর কিলো মিটারজুড়ে সারিবদ্ধভাবে লাগানো হয়েছে কাঁঠালের গাছ। যুগযুগ ধরে লাগানো গাছে গাছে ঝুলে আছে হাজারো কাঁঠাল। তবে দেখভালের নেই কোনো কেউ। তারপরেও একটি কাঁঠালও চুরি হয় না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। চলার পথে পথচারীরা সারিবদ্ধ গাছের কাঁঠাল একটু দাঁড়িয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে দেখছেন। কেউ কেউ তুলছেন ছবি। আবার কেউ কেউ কাঁঠালের গায়ে হাত টিপে দেখছেন পাক ধরেছে কি না।

উপজেলার রঘুয়ারকান্দী গ্রামে বাসিন্দা মো. হারুন আর রশিদ মিয়া বলেন- বাণিজ্যভাবে সালথায় কেউ কাঁঠালের চাষ করে না। সবাই বাড়ির আঙ্গিনায় আর রাস্তাঘাটে কাঁঠালের গাছ লাগিয়েছে। এসব গাছের কাঁঠাল স্থানীয়রাই কেটে নিয়ে খায় ও বিক্রি করে। তবে কাঁঠাল খাওয়ার চাহিদা এখন অনেক কমে গেছে। যেকারণে গাছগুলো অযত্নে-অবহেলায় বেড়ে উঠছে। এতে পঁচে যায় গাছে ঝুলে থাকা শতশত কাঁঠাল। পরে পঁচা এসব কাঁঠাল হয় খাওয়ানো হয় গরুকে’ নয়তো ফেলে দেয়া হয়।

ভাওয়াল গ্রামের বাসিন্দা মনির মোল্যা ও বাকী বিল্লাহ বলেন- আমরা ছোট বেলায় দেখেছি গ্রীষ্ম মৌসুমে আমাদের এখানের মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল কাঁঠাল। সকালে ঘুম থেকে উঠে কৃষকরা কাঁঠালের সাথে মুড়ি মিশিয়ে খেয়ে কাজে যেতেন। এমনকি জ্যৈষ্ঠ মাস আসলেই আমরা এক বয়সী যুবকেরা দল বেধে গাছের নিচে বসে গাছ পাকা কাঁঠাল খাওয়ার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতাম। প্রচুর পরিমান কাঁঠাল খেয়ে আমাদের মধ্যে অনেকে অসুস্থ্যও হয়ে পড়তো। তখন আমাদের এখানে গাছে কাঁঠাল দেখলেই লোকজন একটি প্রবাদ বলতেন ’গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। সেই কাঁঠাল এখন গাছে পেকে পঁচে যায় তবুও কেউ তেমন খেতে চায় না। কাঁঠালের প্রতি কেমন যেন এখনকার মানুষের কোনো চাহিদা নেই। বাজারেও কাঁঠাল বেচাকেনার তেমন কোনো চিত্র দেখা যায় না।

কাঁঠাল খাওয়ার চাহিদা কমে যাওয়ার বিষয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জীবাংশু দাস বলেন- কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। এই ফলটি প্রায় বিনা যত্নে চাষ করা হয়। কাঁঠাল অনেক পুষ্টিসমৃদ্ধ সুস্বাদু হলেও ফলটির বড় আকার, অতিরিক্ত আঠা, অন্যান্য বিদেশী ফলের সহজলভ্যতাসহ ইত্যাদি কারণে ফলটির চাহিদা কমছে এবং উৎপাদনের একটি বড় অংশ প্রতিবছর অপচয় হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কাঁঠাল থেকে কাঁঠালসত্ত্ব, চিপস ও জেলি তৈরী করতে কাজ করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তাছাড়া ছোট আকারের আঠামুক্ত কাঁঠাল উৎপাদন নিয়েও গবেষনা চলছে। এসব কার্যক্রম সফল হলে জাতীয় ফল আবার সগৌরবে ফিরে আসবে আমাদের খাবার টেবিলে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
error: Content is protected !!