1. news.ajkerkontho@gmail.com : Ajker Kontho : Ajker Kontho
  2. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শ্রমিকদের যাতায়াতের পথ উন্মুক্ত করা ও এসিড কারখানা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ব্রয়লার ও ডিমের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি রোধে জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের বাজার অভিযান নিয়ামতপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল নিয়ামতপুরে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদ পথচারীকে রক্ষা করতে নিজেই না ফেরার দেশে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কারাগারে সহিংস তান্ডবের মামলায় যুবলীগের সভাপ‌তি গ্রেফতার উপজেলা এবং ইউপি পরিষদের নিয়মিত ওয়েব পোর্টাল হালনাগাদ করার হুশিয়ারি দেন — জেলা প্রশাসক ডিমসহ নিত্যপণ্যের দোকানে জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান প্লাস্টিক কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ভালো নাই সালথার পিঁয়াজ চাষিরা: দাম না পেয়ে চরম বিপাকে

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

নুরুল ইসলাম, সালথাঃ ভালো নাই ফরিদপুরের সালথা উপজেলার প্রধান ফসল পেঁয়াজ চাষিরা। দাম না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। বেশ কয়েকদিন ধরে কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানকার কৃষকেরা পেঁয়াজ উত্তোলনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। ইতিমধ্যে উত্তোলনের কাজও প্রায় শেষের দিকে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। বিঘা প্রতি ৭০ থেকে ৮০ মন করে পেঁয়াজ পাচ্ছেন তারা। উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম না পাওয়ায় চাষিদের লোকসান হচ্ছে বলে তাদের ভাষ্য।

পেঁয়াজ চাষি মো. হারুন শেখ, হাফেজ মোল্যা ও সহিদ মিয়া জানান, এই বছর ১ মন পেঁয়াজ চাষ করতে চাষিদের খরচ হয়েছে ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা। বাজারে ভাল মানের ১ মন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭ থেকে ৮শ’ টাকা দর। এত খরচের চেয়েও মনপ্রতি ৩ থেকে ৫শ’ টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের দাবী জানিয়ে তারা আরও বলেন- দিন দিন সকল পণ্যের দাম বাড়লেও পেয়াজের দাম ক্রমেই কমে যাচ্ছে। পেয়াজের দাম যখন কম থাকে তখন সরকার কোন পদক্ষেপ নেয় না। আর যদি দাম একটু বাড়ে তাহলে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার বাজারে প্রশাসেন নামিয়ে দেয়। আবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের কোন উদ্যোগও নেওয়া হয় না। ওখানকার পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হলে আমরা হয়তো সঠিক দাম পেতাম।

তারা বলেন- আমরা ডাল-ভাত খেয়ে কোন রকম বেচে থাকার জন্য চাষাবাদ করি। চাষাবাদ করে আমরা লাভ করতে চাই না। আমরা আমাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য চাই। আমরা যদি পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য না পাই, তাহলে আগামীতে পেঁয়াজ চাষ করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবো।

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জিবাংশু দাস বলেন, সালথার প্রধান ফসল হচ্ছে পেঁয়াজ। এখানে প্রতি বছর ব্যাপক পেঁয়াজের চাষ হয়। এবারও ১০ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভাল। চাষিরা যদি পেঁয়াজের দাম ভাল পায় তাহলে আগামীতে এখানকার চাষিরা বানিজ্যিকভাবে পেঁয়াজের চাষাবাদে আগ্রহী হব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

error: Content is protected !!