1. news.ajkerkontho@gmail.com : Ajker Kontho : Ajker Kontho
  2. rjillur86@gmail.com : Jillur Rahman Russell : Jillur Rahman Russell
  3. sklablu6580@gmail.com : Lablu Shek : Lablu Shek
  4. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
শাহানা ফাউন্ডেশন মাদ্রাসা ছাত্রদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ  বহুরূপী হাবিবুর রহমান হারুন এর ফাঁদে মানু ফরিদপুর প্রকাশ্যে ফিল্মি স্টাইলে প্রবাসীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চরভদ্রাসনে জমি জবর দখলের অভিযোগ! আনোয়ারা-মান্নান বেগ ফাউন্ডেশন কর্তৃক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পুরুষ্কার বিতরনের মাধ্যমে সমাপ্ত ইয়াং টাইগার্স অনূর্ধ্ব ১৬ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা জেলা দল চ্যাম্পিয়ন ফরিদপুর গ্রাম আদালতের বিচারিক কাজের মাধ্যমে সকল বিষয়ে সহজ মিমাংসা দিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ফরিদপুর সদরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার শিক্ষকদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু নগরকান্দায় বিনামূল্যে ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

সালথায় সহিংতার বলি যুবক কার সমর্থক ছিলেন? লাশ নিয়ে দুই দলের টানাটানির অভিযোগ

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

নুরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথায় সংঘর্ষে আহত আরও এক যুবকের মৃত্যুর পর তার লাশ নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মৃত যুবক কার বা কোন দলের সমর্থক ছিলেন তা নিয়ে দুটি দলের মধ্যে চলছে ব্যাপক উত্তেজনা। বিদ্যমান দুটি দলের নেতারা ওই যুবককে তাদের সমর্থক দাবি করে তার লাশ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে শুনা যাচ্ছে।

গত ৫ মে উপজেলার খারদিয়া গ্রামে যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক মোল্যা ও আ.লীগ নেতা আলমগীর মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয় আসাদ মোল্যা (৪২) নামের ওই যুবক। বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আসাদ খারদিয়া গ্রামের মো. হাসেম মোল্যার ছেলে।
এরআগে এ সংঘর্ষে নিহত হন সিরাজুল ইসলাম। তিনি খারদিয়া ঠাকুর পাড়ার মো. ইশারত মোল্যার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান- আসাদকে উভয় দলের নেতারা তাদের সমর্থক দাবি করে হাসপাতালে লাশ নিয়ে টানাটানি করছেন। সবাই চেষ্টা করছেন লাশ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার। বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তারা। আসাদ কোন দলের সমর্থক তা নিয়ে উভয় দলের নেতারাই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান রফিক মোল্যার দলনেতা নেতা জাহিদ মিয়া দাবি করে বলেন- আসাদ আমাদের দলের সক্রিয় সমর্থক। তবে আসাদের মামা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য সালাম মোল্যা ও কালাম মোল্যা আলমগীরের সমর্থক। তারাই এখন ঢাকায় আসাদের লাশ নিয়ে টানাটানি করছেন বলে শুনেছি। তারা যাচ্ছে- আসাদকে আলমগীরের সমর্থক দাবি করে আমাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করতে।
ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারন সম্পাদক আলমগীর মিয়ার দলনেতা হিসেবে পরিচিত সাবেক ইউপি সদস্য ইমরুল খাঁ বলেন- আসাদ ছিলেন আমাদের দলের সমর্থক। ঘটনার দিন সংঘর্ষে তিনি আহত হওয়ার পর তাকে আমরা প্রথমে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। পরদিন হাসপাতাল থেকে রফিক চেয়ারম্যানের মা অসুস্থ আসাদকে গোপনে উঠিয়ে নিয়ে গোপালগঞ্জ তাদের এক আত্মীয়র বাড়িতে নিয়ে রাখেন। সেখানে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে আসাদের মামা সালাম ও কালাম তাকে উদ্ধার করে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে আসাদের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বুধবার রাতেই তার দলের সমর্থকরা প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ফরিদপুর পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান উত্তেজিত খারদিয়া গ্রাম পরিদর্শন করেন। তিনি উভয় নিহতদের বাড়িসহ ভাঙচুর হওয়া বাড়িতে গিয়ে খোজখবর নেন। তার সাথে উপস্থিত ছিলেন- সরকারী পুলিশ সুপার মো. সুমিনুর রহমান ও সালথা থানার ওসি মো. শেখ সাদিক।

সম্প্রতি- আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ৫ মে সকাল ৬টা দিকে খারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক মোল্যা ও ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারন সম্পাদক আলমগীর মিয়ার সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে রফিকের সমর্থকরা আলমগীরের সমর্থক সিরাজুল ইসলামকে কাতরা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। বিষয়টি তখন জানাজানি হলে রফিকের সমর্থকদের অন্তত ৫০টি বসত বাড়িঘর ভাঙচুর করে আলমগীরের সমর্থকরা। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছিল।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সালথা সার্কেল) মো. সুমিনুর রহমান বলেন- আসাদের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর খারদিয়া গ্রামে রফিকের সমর্থকদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালানোর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে রাতভর অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুটি কাতরাসহ একজনকে আটক করা হয়। এসপি স্যারও ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এলাকার পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!