1. news.ajkerkontho@gmail.com : Ajker Kontho : Ajker Kontho
  2. rjillur86@gmail.com : Jillur Rahman Russell : Jillur Rahman Russell
  3. sklablu6580@gmail.com : Lablu Shek : Lablu Shek
  4. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
হাসিনা-সাত্তার ইসলামিক এতিমখানায় ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ইভটিজিং বিষয়ে কেউ বিন্দু মাত্র অপরাধ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না ফরিদপুরে পতিত জমিতে বারি সরিষা-১৪ উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ ইব্রাহিমের আলোচনা সভা পাখিকে কম্পিউটার উপহার দিলেন ফরিদপুরের ডিসি আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ  বাসি খাবার বিক্রয়ে সুবর্ণা হোটেলে জরিমানা বিশ হাজার সালথায় ফসলি জমির মাটি বিক্রি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান তুলাগ্রামে দুদিনব্যাপী বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত খেজুর গাছের সুমিষ্টি রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন 

রাজবাড়ীর জোহরার বিয়ের প্রতারনার ফাঁদে পড়ে বিপাকে বরগুনার ফোরকানুল

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

বিধান কুমার বিশ্বাস, রাজবাড়ী: রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের রাজাপুর-ধর্মশীর গ্রামের মোঃ আবেদ আলীর মেয়ে একই উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের চন্দনী গ্রামের দবীর সরদারের ওরফে (দবুর) বড় ছেলে কাঠ ব্যাবসায়ী মোঃ কুদ্দুস সরদারের সঙ্গে বিবাহ হয়।

তাদের দাম্পত্য জীবনে তৎসময় ক্লাস সেভেনে পরুয়া একটি পুত্র সন্তান ছিল। কুদ্দুস ও জোহরার দাম্পত্য জীবনের সাংসারিক টানাপোড়ন থাকায় ঢাকায় কর্মসংস্থানের জন্য পারি জমান। ঢাকা যাবার পূর্বে তাদের পুত্র সন্তান জনি সরদার ১২ (বর্তমান বয়স) কে নানার বাড়ী রেখে যান। দরিদ্রতা ঘোচানোর জন্য ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন জোহরার ও তার স্বামী কুদ্দুস। কুদ্দুস সরদার ঢাকা গার্মেন্টসে চাকরিরত অবস্থায় তার শালকের মাধ্যমে তিনি বিদেশ চলেযান। স্বামী কুদ্দুস বিদেশ যাওয়া সত্বেও দেনা-দায়িকের কারনে ঢাকায় চাকরিরত থাকেন জোহরা।

২০১৯ সালের শেষার্ধে ঢাকার জামগড়া ফ্যান্টাসী কিংডমের পাশে সমীর প্লাজা নামক শপিংমলে জোহরার সঙ্গে পরিচয় হয় ছাতনাপাড়া, তালতলী, বরগুনার সেলিম মিয়ার ছেলে ফোরকানুল ইসলাম (৩৭)। পরিচিত হওয়ার এক-পর্যায়ে জোহরার ও ফোরকানুলের মুঠো ফোনে যোগাযোগর মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন জোহরা বেগম। প্রেমের সম্পর্ক ধরে জোহরা এই চাকরি ছেরে দেওয়ার পর ফোকরানুলের রেফারেন্সে পায়নিয়ার কেজুয়াল ওয়ার এল টি ডি গার্মেন্টসে চাকরি করতে থাকেন ও এরিমধ্য পূর্বের স্বামী (কুদ্দুস) কে তালাক বা ডিভোর্স না দিয়ে পরবর্তীতে ২৫-০৩-২০ তারিখে মাননীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঢাকায় এড. মহিউদ্দিনের নিকট পৌঁছে কোর্ট ম্যারেজ করেন।

কোর্ট ম্যারেজ কপি

পরবর্তী দুই দিন পর কাজী মোঃ আঃ আওয়াল বাগাবাড়ী বাসষ্টান্ডের পশ্চিম পাশে মহিউদ্দিন সুপার মার্কেট আশুলিয়া ঢাকার ঠিকানায় উপস্থিত হয়ে নিকাহ্ নামা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে কাবিননামা সম্পাদন করেন। যাহার নিকাহনামা পৃঃ নং-০৯ ও ভঃ নং- ৪/২০২০।

কিন্তু, কোর্ট ম্যারেজ বা নিকাহনামা রেজিস্ট্রারের সময় নিজের নাম জোহরা আক্তার গোপন করে ফারিয়া আফরিন নামে ও বাবার বাড়ির ঠিকানা গোপন করে স্বামীর বাড়ির ঠিকানা ব্যাবহার করে বিবাহের উভয় কার্য সম্পাদন করেন। জোহরার বিবাহের সময় পূর্বের স্বামী কুদ্দুস সরদারের স্ত্রী হিসাবে বহাল থাকা সত্বেও প্রতারনার মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফোকরানুলকে বিবাহ করেন।

বিবাহের পর তারা নব দম্পত্তি সাভারের তেঁতুলতলার মানিকগঞ্জপাড়ার জয়নাল আবেদীনের বাসায় মিথ্যে সংসার আরম্ভ করেন।

কাবিননামা কপি

২৫ শে মার্চ-২০ কোর্ট ম্যারেজ ও ২৭ শে মার্চ- ২০ নিকাহনামা রেজিস্ট্রার করার পর ১০ মাস একসঙ্গে সংসার জীবন অতিবাহিত করার পর ১৪ ই জানুয়ারী-২১ তারিখে ফোকরানুলের বক্তব্য অনুসারে চার মাসের বাচ্চা কনসেপ্ট হওয়া কালিন সময়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন। পরবর্তী তিনি আর ফোকরানুল ইসলামের নিকট ফিরে যাননি। এর মধ্যে ঢাকা থেকে জোহরা ফিরে আসার ৩ মাস পূর্বে স্বামী কুদ্দুস সরদার দেশে ফিরে আসেন। গার্মেন্টসে বেতন আটকে থাকার কথা বলে স্বামী আসার পরেও ৩ মাস ঢাকায় ছিলেন জোহরা।

১৪ ই জানুয়ারী-২১ জোহরা রাজবাড়ী ফিরে আসার পর শবেবরাতের দিন রাজবাড়ী হোটেল গ্রান্ড প্লেসে ২৬ মার্চ পূর্বের স্বামীর বাড়ি হতে বাবার বাড়ি যাবার কথা বলে নতুন স্বামীর সঙ্গে রাত্রী যাপন করেন। তখন জোহরার গর্ভে ৬ মাসের সন্তান। জোহরা বাচ্চা ডেলিভারি জন্য তিনি স্বামী কুদ্দুসের বাড়ি হতে বাবার বাড়ি যান ও বাচ্চা ডেলিভারি সিজারের জন্য নতুন স্বামী ফোকরানুলের নিকট থেকে টাকাও আত্মসাৎ করেন। পরবর্তী নতুন স্বামী ফোকরানুলের কাছে জোহরা ফিরে যেতে না চাইলে ফোকরানুল ইসলাম তার সন্তানের পিতার দাবী করে ফিরে পেতে চান কন্যা সন্তান কে। জোহরা সন্তান কে না দিতে চাইলে ফোকরানুল ইসলাম রাজবাড়ীর স্থানীয় সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদকে জোহরার ঠিকানায় পাঠান ঘটনা উদঘাটিত করার জন্য। পরবর্তী ফাঁস হয়ে যায় জোহরার কেলোর কীর্তি।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝরে পূর্বের স্বামী কুদ্দুস সরদার জোহরার গর্ভের কন্যা সন্তানের পিতা কে, তা প্রমান না করা পর্যন্ত তিনি জোহরাকে আর বাড়ীতে রাখবেননা মর্মে জোহরাকে তার বাবার বাড়ীতে পাঠায়ে দেন। অন্য দিকে নতুন স্বামী ফোকরানুল কন্যা সন্তানের পিতার দাবী ও জোহরার প্রতারণা নিয়ে ফোকরানুল ইসলাম বাদী হয়ে ফারিয়া আফরিন জহুরা কে বিবাদী করে সি জে এম সাহেবের আমলি আদালত আশুলিয়া ঢাকায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। যার সিআর মামলা নং-৯৪৭/২০২১।

জোহরার প্রতারণার শিকার হয়ে উভয় স্বামীই এক মারাত্নক যন্তনার শিকার। তারা প্রতারিত হয়ে মানসম্মান হারাতে বসেছেন।

ফোকরানুল ইসলাম বলেন, জহুরা স্বামী পরিত্যক্তা বলে আমাকে বিবাহ করেন। তাকে বিবাহ করে অর্থ আত্নসাৎ সহ লাঙ্চনার শিকার হয়ে আমি আমার সন্মান হরাতে বসেছি। যাই হোক আমি আমার কন্যা সন্তান কে ফিরে পেতে চাই। আমার সন্তান কেন অন্যের পরিচয়ে পরিচিতি পাবে। আমি এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি।

সন্তান

এ বিষয়ে জোহরা বলেন, আমার সঙ্গে ফোকরানুলের সম্পর্ক ছিলো। কতো যায়গায় কতো কি হয় আর আমার সামান্য বিষয় নিয়ে আমার সংসার ভাঙার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমি তাকে বিয়ে করি নাই আর এই সন্তান আমার স্বামী কুদ্দুস সরদারের। সে আমার সংসার ভাঙার জন্য মিথ্যা কথা বলছে। তার কথার জন্য আমার স্বামী আমাকে বাড়ি থেকে বেড় করে দিছে যে, এই বাচ্চা কার আগে প্রমান করে তারপর আসতে হবে। আমি আদালতে মামলা করছি প্রমান করার জন্য।

কিন্তু এই প্রতিবেদক মামলার কপি দেখতে চাইলে দেখাতে পারেন নাই। কাজী আব্দুল আওয়াল বলনে, নিকাহনামা রেজিষ্ট্রার সঠিক। ছেলে মেয়ে উভয়ের সম্মত্তিতে বিয়ে হয়েছে। গত সপ্তাহে পিবিআই ডেকেছিল তারাও এ বিষয়ে জানত চইল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!