1. news.ajkerkontho@gmail.com : Ajker Kontho : Ajker Kontho
  2. rjillur86@gmail.com : Jillur Rahman Russell : Jillur Rahman Russell
  3. sklablu6580@gmail.com : Lablu Shek : Lablu Shek
  4. multicare.net@gmail.com : আজকের কন্ঠ :
বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
হাসিনা-সাত্তার ইসলামিক এতিমখানায় ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ইভটিজিং বিষয়ে কেউ বিন্দু মাত্র অপরাধ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না ফরিদপুরে পতিত জমিতে বারি সরিষা-১৪ উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ ইব্রাহিমের আলোচনা সভা পাখিকে কম্পিউটার উপহার দিলেন ফরিদপুরের ডিসি আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ  বাসি খাবার বিক্রয়ে সুবর্ণা হোটেলে জরিমানা বিশ হাজার সালথায় ফসলি জমির মাটি বিক্রি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান তুলাগ্রামে দুদিনব্যাপী বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত খেজুর গাছের সুমিষ্টি রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন 

ফসল রক্ষায় কাকতাড়ুয়া আর দেখা যায় না

Rabiul Hasan Rajib
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
সত্য প্রকাশে নির্ভীক

সনত চক্রবর্ত্তী: ফরিদপুর জেলার কৃষি জমিতে বা ফসল রক্ষার এখন আর কাকতাড়ুয়া দেখা যায় না।দিন পরিবর্তনের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে পুরাতন পদ্ধতিগুলো। এখন কৃষক আধুনিক পদ্ধতির রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে ফসল চাষাবাদ করে এবং রোগবালাই দমন করে।এ কাকতাড়ুয়া পদ্ধতিতে পাখিও মারা যায় না, আবার পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পায়।

ফরিদপুর জেলার কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠ ঘুরে দেখা যায়, হটাৎ কিছু ক্ষেতে কাকতাড়ুয়া দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন কোনো জীবন্ত মানুষ দাঁড়িয়ে ফসল পাহাড়া দিচ্ছে। খুব ভালোভাবে খেয়াল না করলে পাখির মতো ভয় পেয়ে যাবে যে কেউ। কৃষির আধুনিক পদ্ধতির যুগে কৃষকরা রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে ফসল চাষাবাদ করে এবং রোগবালাই দমন করে।এতে করে মানব শরীরে অনেক ক্ষতি হচ্ছে।তবে এখনো কিছু কৃষক এখনো সেই আদিকালের সনাতন কাকতাড়ুয়া পদ্ধতি ব্যবহার করেন ফসল রক্ষার জন্য।

বোয়ালমারী উপজেলার ময়না গ্রামের কৃষক মো: হাচান বিশ্বাস এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কাকতাড়ুয়া ব্যবহারে দিন দিন কমে যাচ্ছে, বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষক তার ফসলি জমিতে। অতীতে এত কীটনাশকের ব্যবহার ছিল না। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক বাজারে এসেছে, যা ব্যবহার করলে পশু-পাখি অনেক সময় মারা যায়। এতে একদিকে যেমন পশুপাখির ক্ষতি হচ্ছে অন্য দিকে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ ঝুকির মধ্যে রয়েছে।কিন্তু পাশাপাশি কীটনাশক ব্যবহাররে ফসলও ভালো হয়, তাই কাকতাড়ুয়ার ব্যবহার কমে যাচ্ছে।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করলে আমরা চিন্তামুক্ত থাকতাম পশু-পাখি থেকে, কেন না এটা ব্যবহার করলে পশু-পাখি আসতো না। তবে এখন বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারে ভুলেই গেছি কাকতাড়ুয়ার কথা, যেটা একটা সময় আমাদের বন্ধু ছিল।

বোয়ালমারী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম হোড় বলেন, ‘কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করে ফসলের জমিতে ইঁদুর দমনে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়াও নিশাচর প্রাণীরা জমিতে বিচরণ করার সময় ভয় পায় এবং ফসলেরও সুরক্ষা হয়।’ পাখি তাড়ানোর জন্য আদিকাল থেকে গ্রামের কৃষকরা ক্ষেতে কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করে আসছেন। এতে মাঠের ফসল রক্ষা পায়। পাখি হত্যা এক ধরনের অপরাধ।যারা জমিতে কাকতাড়ুয়া ব্যবহার করছে তারা লাভবান হচ্ছে। আবার পাখিও রক্ষা পাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট
error: Content is protected !!